26/11 Mumbai attack : Tributes paid to martyrs on 14th anniversary of terror attacks

26/11 Mumbai Attack : নিহতদের শ্রর্দ্ধার্ঘ্য, সন্ত্রাস দমনে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

১৯৯৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ১৩টি সন্ত্রাসবাদী হামলা সহ্য করেছে মুম্বই (Mumbai)। এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blasts 1993), ২০০৩ সালের বিস্ফোরণ, ২০০৬ সালের লোকাল ট্রেন বিস্ফোরণ (2006 Local Train Blasts) এবং ২০০৮ সালের হামলা (26/11 Mumbai Attack) সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল। ১৩টি সন্ত্রাসবাদী হামলায় ৬৮৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় আড়াই হাজার জন। ২০০৮ সালের হামলার পর থেকে দেশ, সরকার, প্রশাসন, সেনা ও পুলিশ অনেক কিছু শিখেছে। আশঙ্কা হচ্ছে, সন্ত্রাসবাদীরাও সীমান্ত পেরিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এজন্য আমাদেরও ক্রমাগত অগ্রসর হতে হবে। নতুনভাবে হামলার ষড়যন্ত্রকারী সন্ত্রাসবাদীদের যোগ্য জবাব দিতে হবে।

মুম্বই হামলার (Mumbai Attack) আজ ১৪তম বছর। ২৬/১১-য় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ।২০০৮ সালে আজকের দিনেই দেশের বাণিজ্য নগরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তৈবার ১০ জঙ্গি শহরের বিভিন্ন প্রান্তের বোমা-গুলি ও বন্দুক নিয়ে নাশকতা চালায়। প্রাণ হারান ১৬৬ জন নিরীহ মানুষ। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিদেশিও ছিলেন। জখম হন ৩০০-র বেশি মানুষ। বিশ্বের বহু দেশ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে।

একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও শেয়ার করে জয়শঙ্কর বলেন, আমরা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদী প্রতিটি হামলার নিন্দা করছি এবং নিহতদের প্রতি আমাদের সমবেদনা প্রকাশ করছি। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্বশীল সদস্য হিসাবে সন্ত্রাসবাদকে বিচারের আওতায় আনার জন্য আমাদের কাজ করে যেতে হবে।

ঘটনার সঙ্গে আবেগ জড়িয়ে রয়েছে ইজরায়েলিদেরও। কারণ, এই ঘটনায় প্রাণ হারান ৬ ইহুদি। হামলায় বাবা-মাকে হারান বছর দুয়েকের ইহুদি শিশু মোশে হোল্জবার্গ।

জঙ্গিদের পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনীও। নয় পাকিস্তানি জঙ্গিকে খতম করা হয়। বাকি এক জঙ্গি আজমল কাসভকে (Ajmal Kasab)হাতনাতে ধরে ফেলে নিরাপত্তাবাহিনী। গ্রেফতার হওয়ার চার বছর পর অর্থাৎ ২০১২ সালে ২১ নভেম্বর তার ফাঁসি হয়।